1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. ukbanglatv21@gmail.com : Kawsar Ahmed : Kawsar Ahmed
মোবাইল ব্যাংকিং থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া যুবক গ্রেপ্তার - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন

মোবাইল ব্যাংকিং থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া যুবক গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : সোমবার, ১ আগস্ট, ২০২২
  • ২২৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেক // ব্যাংকের ডেবিট কার্ডসহ মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করা মানুষদের টার্গেট করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি চক্রের মূলহোতা মো. খোকন ব্যাপারী ওরফে জুনায়েদকে (৩০) নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংস্থাটির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।

মুক্তা ধর জানান, তার প্রতারণার কৌশল একটু ভিন্ন। ব্যাংকের ভিসা, মাস্টার কার্ডধারী, একই সঙ্গে যাদের মোবাইল ব্যাংকিং আছে তাদের টার্গেট করা হত। পরে সখ্যতা গড়ে একাউন্ট বাতিলের ভয় দেখিয়ে এবং মোবাইল ব্যাংকিং কর্মকর্তা সেজে বিভিন্ন তথ্য নিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি একটি প্রতারক চক্র বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে আর্থিক লেনদেনের প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। এমন একজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডি অভিযান চালিয়ে খোকন ব্যাপারী ওরফে জুনায়েদকে গ্রেপ্তার করে।

সিআইডি বলছে, প্রতারক চক্রটি কয়েকটি ধাপে প্রতারণার কাজটি সম্পন্ন করতো। প্রথম ধাপে প্রতারক বিকাশ কর্মকর্তা হিসেবে ভিকটিমকে ফোন দিয়ে অ্যাকাউন্ট আপডেট করার জন্য বলে। আর আপডেট না করলে একাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। দ্বিতীয় ধাপে প্রতারক ভিকটিমের ব্যবহৃত বিকাশ একাউন্টটিতে তিন বারের বেশি ভুল পাসওয়ার্ড দেয়। এতে অ্যাকাউন্টটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাসপেন্ড হয়ে যায়। তৃতীয় ধাপে প্রতারক ভিকটিমকে আবারও জানায়, তার অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং একাউন্টে থাকা টাকা ব্লক হয়েছে। তবে এই ব্লককৃত টাকা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডে ট্রান্সফার করা সম্ভব বলেও প্রলোভন দেখায়। এর জন্য প্রতারক ভিকটিমের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর এবং সিভিএন জানতে চায়।

ভিকটিম এসব তথ্য সরবরাহ করলে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে যে মোবাইল নম্বর সরবরাহ করে সেই মোবাইল নম্বরে একটা OTP কোড সম্বলিত একটি ম্যাসেজ যায়। ভিকটিম ম্যাসেজটি রিসিভ করার পর সেই কোডটি প্রতারক জানতে চায়। কোডটি প্রতারক ভিকটিমের কাছ থেকে পাওয়ার পর ভিকটিমের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ টাকা প্রতারক তার নিজের বিকাশ আ্যকাউন্টে ট্রান্সফার করে। ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পর পরই তারা তাদের ব্যবহৃত সকল আইডেন্টিটি গোপন করে রাখে।

গ্রেফতার ব্যক্তি এ পর্যন্ত সে তার অন্য সহযোগীদের নিয়ে প্রায় এক কোটিরও বেশি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে।

এ সময়, সর্বোচ্চ গোপনীয়তা মেনে যেকোনো লেনদেননের পরামর্শ দেয় সংস্থাটি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ