1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. ukbanglatv21@gmail.com : Kawsar Ahmed : Kawsar Ahmed
আমার কোনো অভিযোগ বা অনুযোগ নেই: বিদায়ী আইজিপি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:১৮ অপরাহ্ন

আমার কোনো অভিযোগ বা অনুযোগ নেই: বিদায়ী আইজিপি

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৮২ 0 বার সংবাদি দেখেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক // বিদায়ী পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, আমাদের দেশে একধরনের নষ্ট রাজনীতির দুষ্টচর্চা ছিল, এখনো আছে। একশ্রেণির মানুষের নষ্ট রাজনীতির দুষ্টচর্চায় যারা আমাকে অন্যায় ও আযৌক্তিকভাবে তাদের বিপক্ষে আবিষ্কার করেছে তাদের প্রতিও আজ আমার কোনো অভিযোগ বা অনুযোগ নেই। তারাও ভালো থাকবেন, সে প্রত্যাশা করবো।

বৃহস্পতিবার রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আ‌য়ো‌জিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশের গুলিতে মানুষের মৃত্যু অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লখ ক‌রে তি‌নি ব‌লেন, নিশ্চয়ই সব ঘটনার তদন্ত হবে। ত‌বে নি‌জেদের আত্মরক্ষার জন‌্যই পু‌লিশ গুলি চালায়।

সংসদ সদস্য হতে চান কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আই‌জি‌পি ব‌লেন, আমি চ্যালেঞ্জ নেয়ার মানুষ। চ্যালেঞ্জময় জীবন আমার।

বেনজীর আহমেদ জানান, পুলিশ ও র‍্যাবের সদস্যদের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা রোধে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। পুলিশের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে কয়েক ধাপে শাস্তির আওতায় আনার বিধান রয়েছে।

আইজিপি বলেন, খুন হলেও দুটো পক্ষ হয়ে যায়। ভুক্তভোগী এবং অভিযুক্ত। পুলিশ দুই দলকে খুশি করতে পারে না। এ কারণে একপক্ষ সব সময় ভুল বোঝে। আইনি দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে অনেকেই বিপক্ষে গেছেন। সেটা এখন আর বলতে চাই না।

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জানিয়ে বেনজীর আহমেদ বলেন, জিম্মিদশা থেকে ওই এলাকার মানুষকে মুক্ত করতে পেরেছি। পুলিশ তাদের আত্মসমর্পণ না করালেও পারতো। কিন্তু এর মধ্য দিয়ে তাদের একটা নতুন জীবন দেয়া হয়েছে।

সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কি ছিল সাংবা‌দিক‌দের এমন প্রশ্নের উত্তরে আইজিপি বলেন, কোনো মানুষই আমাদের প্রতিপক্ষ নয়। রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এর বাইরে আরেকটা বিষয় থাকে সামাজিক প্রত্যাশা। সামাজিক প্রত্যাশার জন্যও অনেক কিছু করতে হয়েছে।

বেনজীর আহমেদ আরও বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। ভালো কাজের ক্রেডিট সরকারের এবং মানুষের। যা কিছু ভালো হয়েছে। কোনো ব্যর্থতা থাকলে আমার। একান্তই সে ক্ষেত্রে হয়তো আমি রাষ্ট্রের দায়িত্ব ঠিকমতো করতে পারিনি।

বিদায়ী পু‌লিশ প্রধান বলেন, সবাই মিলেই বাংলাদেশ। আমার এই ভালোবাসার বাংলাদেশ। আমাদের এই ভালোবাসার বাংলাদেশ। সবাইকে মিলিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাবো। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বাস্তবায়নের জন্য আমরা সবাই হাতে হাত মিলিয়ে যে যেখানে আছি সেখান থেকে দায়িত্ব পালন করবো।

আইজিপি আরও বলেন, ৩৪ বছর ৫ মাস ১৬ দিন বাংলাদেশ পুলিশে কাজ করেছি। এরমধ্যে ১২ বছর ঢাকায় দায়িত্ব পালন করেছি। পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে দায়িত্ব পালন করেছি। ১২ বছরের পথচলায় অনেক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করেছি। এ দেশের নাগরিকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ