1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. ukbanglatv21@gmail.com : Kawsar Ahmed : Kawsar Ahmed
‘নির্যাতনকারী পুলিশরা ছিল মুখোশধারী’ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

‘নির্যাতনকারী পুলিশরা ছিল মুখোশধারী’

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৯ 0 বার সংবাদি দেখেছে
অনলাইন ডেস্ক // ডিএমপির রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুন অর রশিদসহ ১০-১২ জন পুলিশ সদস্য মুখোশ ও মাস্ক পরে ছাত্রলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন নাঈমকে নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করেছেন।

নাঈম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক কারণে অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে চিনি। আর শাহবাগ থানার তো প্রায় সবাই চেনা। কিন্তু ওই রাতে আমি এডিসি হারুন ছাড়া কাউকে চিনতে পারছিলাম না। তাদের পোশাক থেকে সরানো ছিল নেমপ্লেট।’

তিনি বলেন, এডিসি হারুন ছাড়া সবাই ছিলেন পোশাক পরা। কারও নেমপ্লেট ছিল না পোশাকে। ‍হয়তো খুলে রাখা হয়েছিল। মুখোশে ও বড় মাস্কে ছিল সবার মুখ ঢাকা। আমি মুখোশ টেনে ওসি তদন্ত মোস্তফাকে চিনতে পারি।

ছাত্রলীগ নেতা বলেন, জ্ঞান হারানোর আগে আমি নিজের পরিচয় দিই। বলি আমি ছাত্রলীগ করি। আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি। পরিচয় দেওয়ার পর এডিসি হারুন আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ছাত্রলীগকে গালাগাল করে মারতে থাকেন। ১০-১২ পুলিশ সদস্য আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তারা ১০-১৫ মিনিট বুট দিয়ে আমাকে মারতে থাকেন।

থানার কক্ষে ঢোকার পরই এডিসি হারুন নিজেই প্রথম মারধর শুরু করে। তবে বেশি মারধর করেছে ওসি তদন্ত। মার খেতে খেতে আমি ফ্লোরে পড়ে যাই। এডিসি হারুন ওসি তদন্তকে উদ্দেশ করে বলেছিলেন, ওরে ধর, আমার গায়ে হাত দিয়েছিল। অথচ আমি কিছুই করিনি, যোগ করেন নাঈম।

উল্লেখ্য, রাজধানীর শাহবাগ থানায় ডেকে নিয়ে শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে নির্মমভাবে মারধর করেন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুন অর রশিদ।

আহতরা হলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ। এই দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ছাত্রলীগের একটি সূত্র জানায়, শনিবার রাতে এডিসি হারুন এক নারীর সঙ্গে বারডেম হাসপাতালে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সে সময় ওই নারীর স্বামী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান এবং তাদের দুজনকে একসঙ্গে পান। সেখানে ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে এডিসি হারুনের বাগবিতণ্ডা এবং হাতাহাতি হয়। পরে পুলিশ ফোর্স নিয়ে এসে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে গিয়ে বেদম মারধর করেন হারুন।

এ ঘটনার জেরে এদিন রাতেই শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ভিড় করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও পুলিশের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে মধ্যরাতে ঘটনা মীমাংসা করেন।

এদিকে দুই নেতাকে ‘থানায় নিয়ে’ নির্মমভাবে মারধরের ঘটনায় হারুন অর রশিদকে রমনা বিভাগ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া না হলে রাজপথে নেমে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নেতারা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ