1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. ukbanglatv21@gmail.com : Kawsar Ahmed : Kawsar Ahmed
মৌসুমি অ্যালার্জিতে চোখের সুরক্ষায় করণীয় - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

মৌসুমি অ্যালার্জিতে চোখের সুরক্ষায় করণীয়

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : রবিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ৫০ 0 বার সংবাদি দেখেছে

অ্যালার্জি শব্দটির সঙ্গে কমবেশি আমরা প্রায় সবাই পরিচিত। অ্যালার্জি বলতে প্রথমেই মনে পড়ে যায় ব্যাপক হাঁচি, কাশি, সর্দি, চুলকানি অথবা ফুসকুড়ির মতো কিছু উপসর্গ। এছাড়াও অ্যালার্জি নানাভাবে, নানা জায়গায় দেখা দিতে পারে, এতে আক্রান্ত হতে পারে চোখও।

অ্যালার্জি কী : দেহের জন্য ক্ষতিকর কোনো বস্তু, যেমন—ফুলের রেণু, পোষা প্রাণীর লোম বা ত্বকের খসে পড়া অংশ বা অ্যানিমেল ডেন্ডার, খুশকি, কসমেটিক বা পারফিউম জাতীয় রাসায়নিক দ্রব্য ইত্যাদি যখন দেহের সংস্পর্শে আসে অথবা কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজাত আমিষকণা দেহে প্রবেশ করে, তখন দেহ এটিকে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এসব ক্ষতিকর বস্তু বা এজেন্টকে বলা হয় অ্যালার্জেন। যদিও অ্যালার্জি এক ধরনের ভোগান্তি, তবে ফল বিচারে এটি দেহের জন্য সুরক্ষাবিশেষ। কোনো অ্যালার্জেন সবার জন্য সমানভাবে অ্যালার্জিক নয়।

চোখের অ্যালার্জি : অ্যালার্জেন যখন প্রথম দেহে প্রবেশ করে, তখন দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে এক ধরনের অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এর নাম আইজি-ই। এই আইজি-ই মাস্ট সেল নামের শ্বেতকণিকার সঙ্গে বিক্রিয়া করে একধরনের সংবেদনশীলতা তৈরি করে। পরবর্তী সময়ে একই অ্যালার্জেন আবার দেহে প্রবেশ করলে তখন দেহে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অ্যালার্জেন, বিশেষ করে ফুলের রেণু বা ধুলাবালু খুব সহজেই চোখের উপরিভাগে যে শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি বা কনজাংটাইভা থাকে, তার সংস্পর্শে আসার সুযোগ পায়। উপসর্গ হিসেবে চোখে চুলকানি, চোখে জ্বালাপোড়া, চোখে পানি ঝরা ইত্যাদি দেখা দেয়। অনেক সময় নাক ও শ্বাসনালি একই প্রক্রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে।

মৌসুমি অ্যালার্জি : সাধারণত ফুলের রেণু, ধুলোবালি ইত্যাদিতে মৌসুমি অ্যালার্জির সমস্যা হয়ে থাকে। তাৎক্ষণিক উপসর্গ মাঝারি তীব্রতার ও স্বল্পমেয়াদি হয়ে থাকে। হঠাৎ করেই ভালো চোখ আক্রান্ত হয়ে চুলকানি, তারপর স্বল্প সময়ের ব্যবধানে লাল হয়ে ফুলে যায়। বিশেষ করে বসন্তকালে এ ধরনের অ্যালার্জির প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা দেয়। সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য এই সময় বেশ কষ্টের।

সতর্কতা : বাতাসে ভেসে বেড়ানো ফুলের রেণুর সংস্পর্শ এড়াতে সানগ্লাস কিছুটা সাহায্য করতে পারে। ঘরে ফেরার পর পরিধেয় কাপড়-চোপড় বদলে ফেলা এবং দ্রুত হাত-মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। ঘরের মেঝে পরিষ্কার রাখতে হবে। আশপাশে ফুলের বাগান থাকলে জানালা বন্ধ রাখলে উপকার পাওয়া যায়। সরাসরি ফুলের বাগান পরিচর্যা থেকে বিরত থাকুন।

চিকিৎসা : ওলোপেটাডিন জাতীয় ড্রপ ব্যবহারে বেশ উপকার পাওয়া যায়। অনেক সময় স্টেরয়েড জাতীয় ড্রপ ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে। আর্টিফিশিয়াল টিয়ার চোখকে অ্যালার্জেন থেকে কিছুটা নিরাপদ রাখতে সহায়ক। অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট, যেমন—ফেক্সোফেনাডিন ইত্যাদি সেবন করলেও কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

লেখক : চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

কনসালট্যান্ট, আইডিয়াল আই কেয়ার সেন্টার

আদাবর, শ্যামলী, ঢাকা। ০১৯২০৯৬২৫১২

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ