1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. ukbanglatv21@gmail.com : Kawsar Ahmed : Kawsar Ahmed
আমতলীতে সংস্কারের অভাবে বেহাল ৮ কিমি সড়ক - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ১২:২০ অপরাহ্ন

আমতলীতে সংস্কারের অভাবে বেহাল ৮ কিমি সড়ক

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪
  • ২৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // সড়কের অনেক জায়গায় পিচের চিহ্নমাত্র নেই। বেরিয়ে এসেছে মাটি। উঁচু-নিচু সড়কে বড় বড় গর্ত। প্রথম দেখায় এটিকে কাঁচা রাস্তা বলে ভুল করতে পারেন যে কেউ। এ চিত্র আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া গ্রামের আট কিলোমিটার পাকা সড়কটির।

সংস্কারের অভাবে এর বেশির ভাগ অংশ বেহাল। ১৯৯৮ সালে হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া গ্রামের তহশিল অফিস থেকে রামজী স্কুল পর্যন্ত আট কিলোমিটার সড়কটি নির্মাণ করা হয়। এরপর ২৬ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো ধরনের সংস্কার করা হয়নি।

বর্তমানে কার্পেটিং উঠে, ইট-খোয়া সরে কাঁচা রাস্তায় পরিণত হয়েছে। দেখলে মনে হবে এটি মাটির রাস্তা। মাটি-খোয়া সরে যাওয়ায় অনেক জায়গায় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষায় সেখানে পানি জমে যায়। শুকনা মৌসুমেও চলাচল করা দুরূহ।

গুরুদল গ্রামের শিক্ষক সেলিম চৌকিদার বলেন, এ সড়ক দিয়ে হলদিয়া, গুরুদল, দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া, চিলা ও টেপুরা গ্রামের কয়েক হাজার লোক প্রতিদিন উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করেন। এ ছাড়া সড়কের পাশেই হলদিয়া হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুরুদল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবস্থান।

সড়ক খারাপ থাকায় ৬০০ থেকে ৭০০ শিক্ষার্থীকে স্কুলে আসা-যাওয়া করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বর্ষা মৌসুমে স্কুলে শিক্ষার্থী কমে যায়। বর্ষা মৌসুমে সড়কের দশা আরও করুণ হয়। সে সময় যানবাহন চলাচল করতে না পারায় মানুষের পায়ে হেঁটে অবর্ণনীয় কষ্টে চলাচল করতে হয়।

হলদিয়া গ্রামের পল্লিচিকিৎসক নগেন ধুপী বলেন, সড়কটির পিচ উঠে গেছে, বৃষ্টির পানিতে খোয়াসহ মাটি সরে যাওয়ায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নিজেরাই হাঁটতে পারি না, যানবাহন চলাচল দূরের কথা। এ অবস্থায় রোগী ও অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের আমতলী হাসপাতালসহ দূরবর্তী কোনো স্থানে চিকিৎসার জন্য নিতে ভোগান্তি পোহাতে হয়।

উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদের মিয়া বলেন, অর্থ সংকটের কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজন অনুসারে রাস্তার উন্নয়ন করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের সভায় রেজুলেশন করা হয়েছে। আশা করি দ্রুতই সংস্কারকাজ শুরু হবে। উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সড়ক সংস্কারের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ শুরু করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ